কলকাতা টাইমস নিউজ :নিজস্ব সংবাদদাতা :কলকাতা :২৫ নভেম্বর
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) আগামী ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় চলমান Special Intensive Revision (SIR)-এর অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তা (CEO) ও সরকারি সচিব অর্চনা পাটনায়ক সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
এই বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা কর্মসূচি শুরু হয়েছে ৪ নভেম্বর। নতুন ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্তি, পুরনো বা মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া, তথ্য সংশোধন—সব আবেদন গ্রহণ করা হবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
একই সময়ে দেশের আরও নয়টি রাজ্য ও তিনটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একই প্রক্রিয়া চলছে।
২০২৫ সালের ভোটার তালিকা যথাযথ, হালনাগাদ এবং ভুলত্রুটি-রহিত করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ পর্যালোচনা।
গুরুত্বপূর্ণভাবে, তামিলনাড়ুর বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল—বিশেষত ডিএমকে—এ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে। তাঁদের অভিযোগ, এই পর্যালোচনার সময় ও পদ্ধতি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ। মামলার শুনানি এখনও চলছে।
ECI-এর একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক তিন দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে কাজের অগ্রগতি, ত্রুটি, এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন।
চেন্নাইয়ে মিডিয়া কনর্ডিনেশন ও সচেতনতা প্রচার পর্যবেক্ষণ
-
পি. পবন (Deputy Director, ECI)
-
দেবাংশ তিওয়ারি (Media Division, ECI)
এই দুই কর্মকর্তা চেন্নাইয়ে ভোটার সচেতনতা, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা ও মাঠপর্যায়ের জরিপ কাজ পরিদর্শন করবেন।
কোয়েম্বাটুর–তিরুপ্পুর: ব্লোদের কাজের স্বচ্ছতা ও ডিজিটাল আপডেট পর্যালোচনা
-
কৃষ্ণকুমার তেওয়ারি (Director, ECI)
তিনি BLO–দের তালিকা যাচাই, এনট্রি মিলিয়ে দেখা, ট্যালি শিট বিতরণ এবং ভোটার ডেটা ডিজিটাল আপডেটের গতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবেন।
চেন্নাই–চেঙ্গালপাট্টুতে বিশেষ পর্যালোচনা
-
মধুসূদন গুপ্ত (Secretary, ECI)
তাঁর পরিদর্শনের কেন্দ্রে থাকবে—
-
বাড়ি-বাড়ি যাচাই (Door-to-door verification)
-
ভোটার তালিকা সংশোধন
-
মাঠপর্যায়ের টিমের কর্মদক্ষতা
২০২৫–এর বড় ভোটের আগে তালিকা নিখুঁত করার প্রচেষ্টা
সিইও অর্চনা পাটনায়ক জানান,
“২০২৫ সালের ভোটের আগে নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজন। SIR সেই লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।’’
ECI-এর এই পরিদর্শনে বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরা হবে, নির্দেশিকা বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো হবে, এবং জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে নতুন কৌশল নেওয়া হতে পারে।
রাজ্যজুড়ে এই পর্যালোচনা শেষ হলে কমিশন নতুন নির্দেশিকা জারি করবে বলে আশা। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন মামলার ওপরও নজর রাখছে কমিশন।
Continue With Google
Comments (0)