কলকাতা টাইমস নিউজ ডেস্ক :

চিকিৎসক সংগঠনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এবং তৃণমূলের দুই চিকিৎসক নেতার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব—এই তিনের সমীকরণে ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ-র জার্নাল সংক্রান্ত একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেড় কোটি টাকার বেশি লেনদেনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন বিধায়ক সুদীপ্ত রায় এবং প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের মধ্যে নতুন করে প্রকাশ্যে সংঘাত তৈরি হয়েছে। সুদীপ্ত রায়ের অভিযোগ, আইএমএ-র জার্নাল অফ দ্য ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা ‘জিমা’-র নামে খোলা একটি অ্যাকাউন্টের লেনদেনে গুরুতর অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাঁর প্রশ্ন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসার পরেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

অন্যদিকে শান্তনু সেনের পাল্টা দাবি, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলার কারণেই পুরনো অভিযোগ সামনে এনে তাঁকে রাজনৈতিক ভাবে চাপে ফেলার চেষ্টা চলছে। তাঁর বক্তব্য, এই অভিযোগের পিছনে সুদীপ্ত রায়ের ভূমিকা রয়েছে এবং নিজের অবস্থান দুর্বল হওয়ায়ই বিষয়টি ফের সামনে আনা হচ্ছে। ফলে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং সাংগঠনিক তদন্ত—সব মিলিয়ে আইএমএ-র ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এখন দুই চিকিৎসক নেতার রাজনৈতিক সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

অভিযোগের সূত্রপাত প্রায় এক দশক আগে। ২০১৫ সালের ১৫ জুন আইএমএ-র প্যান নম্বর ব্যবহার করে ‘জিমাকন কলকাতা’ নামে একটি সেভিংস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল বলে আইএমএ-র চিঠি ও পরবর্তী রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ, অ্যাকাউন্টটি খোলার বিষয়টি আইএমএ-র দিল্লির সদর দফতরকে জানানো হয়নি। এমনকি সংগঠনের রাজ্য শাখারও অল্প কয়েকজন ছাড়া অধিকাংশ সদস্য এই অ্যাকাউন্টের বিষয়ে অবগত ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে।

অ্যাকাউন্টটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জিমার তৎকালীন সম্পাদক শান্তনু সেন এবং যুগ্ম অর্থসচিব উজ্জ্বল সেনগুপ্ত। পরবর্তী সময়ে ২০১৭-১৮ সালে জিমার সম্পাদক হন কাকলি সেন, যিনি শান্তনু সেনের স্ত্রী। সেই সময় শান্তনু সেন যুগ্ম অর্থসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। আইএমএ-র নথি অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ওই অ্যাকাউন্টে মোট ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকারও বেশি জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নগদে প্রায় ২৯ লক্ষ টাকা তোলার ক্ষেত্রেও নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

অ্যাকাউন্টটির অস্তিত্ব প্রকাশ্যে আসে ২০২০ সালে। অভিযোগ অনুযায়ী, ১৭ লক্ষ এবং ১ লক্ষ টাকার দুটি চেক ইস্যু করার পর ব্যাঙ্ক সেগুলি ফেরত পাঠায়। এর পরেই অ্যাকাউন্টের লেনদেন এবং পরিচালন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আইএমএ-র তরফে বলা হয়, নির্দিষ্ট সময় অন্তর অ্যাকাউন্টের ‘সাইনিং অথরিটি’ পরিবর্তন না হলে ব্যাঙ্কিং নিয়ম অনুযায়ী লেনদেনে সমস্যা তৈরি হতে পারে। অভিযোগ, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ওই অ্যাকাউন্টের স্বাক্ষর করার অধিকারী ব্যক্তিদের পরিবর্তন করা হয়নি। এমনকি সেই সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জিমার দায়িত্বে ছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আইএমএ-র তরফে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যেরা দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে হিসাবরক্ষক এবং সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন আইএমএ-র প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অজয় কুমার। তদন্তের পর জমা দেওয়া রিপোর্টে অ্যাকাউন্টের বিষয়টি গোপন রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের উপর চাপ বা ভয় দেখানোর অভিযোগের উল্লেখ রয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। জিমার অডিটরও তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন যে, তাঁকে এই অ্যাকাউন্টের বিষয়ে অবহিত করা হয়নি।

এই তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অ্যাকাউন্টের অর্থের উৎস, লেনদেনের উদ্দেশ্য এবং টাকা তোলার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিশেষ করে ১৭ লক্ষ টাকার একটি চেক ‘দিশা মেডিহেল্প’ নামে একটি সংস্থার উদ্দেশে ইস্যু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই চেকে উজ্জ্বল সেনগুপ্তের স্বাক্ষর ছিল। চেকের পিছনে দেওয়া মোবাইল নম্বরটি শান্তনু সেনের সঙ্গে যুক্ত বলে তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘দিশা মেডিহেল্প’-এর সঙ্গে শান্তনু সেনের কার্যালয়ের সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এই লেনদেনের প্রকৃত উদ্দেশ্য, অর্থের ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পূর্ণাঙ্গ নথি ও আইনি তদন্ত প্রয়োজন।

আইএমএ-র একাংশের প্রশ্ন, অ্যাকাউন্টে জমা পড়া টাকার উৎস কী ছিল? কেন সংগঠনের সদর দফতরকে অ্যাকাউন্টটির বিষয়ে জানানো হয়নি? কত বার এবং কী উদ্দেশ্যে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছিল? কোনও নির্দিষ্ট সংস্থা বা ব্যক্তির কাছে টাকা স্থানান্তরিত হয়ে থাকলে তার হিসাব কোথায়? আইএমএ-র শিলিগুড়ি শাখার সচিব সজল বিশ্বাসের দাবি, তদন্ত রিপোর্টে যথাযথ জবাব না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও দৃশ্যমান সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান অজয় কুমারের বক্তব্য, তাঁরা তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং সেখানে ঘটনাটির বিবরণ স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কেন হয়নি, সে বিষয়ে আইএমএ-র বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকই বলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। আইএমএ-র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সুদীপ্ত রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আইএমএ-র কলকাতা শাখার সভাপতি অসীম সরকার অভিযোগ করেছেন, থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। তাঁর দাবি, শান্তনু সেন আগে যেমন প্রভাবশালী ছিলেন, এখনও তেমনই রয়েছেন। আইএমএ-র রাজ্য শাখায় তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় কোটি কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন অসীম সরকার। যদিও এই অভিযোগগুলির স্বাধীন ও চূড়ান্ত প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

অন্যদিকে শান্তনু সেন সমস্ত অভিযোগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের ভূমিকা নিয়ে তিনি সরব হওয়ার পরেই পুরনো বিষয়কে নতুন করে সামনে আনা হচ্ছে। সম্প্রতি কয়েকজন ভুয়ো চিকিৎসকের নাম রেজিস্ট্রেশনের অভিযোগ ঘিরে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওই ঘটনায় কাউন্সিলের সভাপতি সুদীপ্ত রায়, সম্পাদক, সদস্য এবং অন্যান্য আধিকারিকদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে পুলিশে অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

শান্তনুর দাবি, জিমার অ্যাকাউন্ট নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের পিছনে সুদীপ্ত রায়ের ভূমিকা ছিল। এখন মেডিক্যাল কাউন্সিল নিয়ে তাঁকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হওয়ায় সেই পুরনো অভিযোগকে হাতিয়ার করা হচ্ছে। সুদীপ্ত রায় পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, তদন্ত রিপোর্টে যে বিষয়গুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি কি মিথ্যা? আইএমএ সদর দফতরের আয়-ব্যয়ের নথিতে জিমার অ্যাকাউন্টের লেনদেনের উল্লেখ কেন নেই, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

দুই চিকিৎসক নেতার দ্বন্দ্ব অবশ্য নতুন নয়। তৃণমূলের শাসনকালে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সাংগঠনিক প্রভাব, বিভিন্ন পদে নিয়োগ এবং চিকিৎসক সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তাঁদের মধ্যে মতবিরোধ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আইএমএ-র কলকাতা শাখার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের সমর্থকদের মধ্যে প্রকাশ্য সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সময় থেকেই শান্তনু সেন এবং নির্মল মাজির মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। পরবর্তী সময়ে সুদীপ্ত রায়ের সক্রিয়তা এবং স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়।

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সুদীপ্ত রায় পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি হন। এর পর স্বাস্থ্য নিয়োগ সংক্রান্ত বোর্ড, বিধানসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিটি, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এবং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর যুক্ত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। অন্যদিকে শান্তনু সেনের সাংগঠনিক প্রভাব কমতে থাকে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা হয়। তিনি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অন্য একটি অংশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ান।

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে ঘিরে বিতর্কের সময় দুই পক্ষের সংঘাত আরও তীব্র হয়। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে শান্তনু সেন একাধিক প্রশ্ন তুলেছিলেন। পরে দলীয় স্তরে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শান্তনু সেন তৃণমূলের মুখপাত্রের পদ ছেড়ে অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত হন। এই পরিবর্তনের পরেও সুদীপ্ত রায় ও শান্তনু সেনের পারস্পরিক আক্রমণ থামেনি।

এদিকে জিমার অ্যাকাউন্ট নিয়ে আর্থিক প্রশ্নের পাশাপাশি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এসেছে। জিমার অ্যাকাউন্টে অবশিষ্ট অর্থের একটি অংশ দিল্লিতে জিমার ভবন তৈরির তহবিলে জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংগঠনের বর্তমান সম্পাদক মধুছন্দা কর। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ২১ লক্ষ টাকা জিমার ভবন নির্মাণের তহবিলে স্থানান্তর করে অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করা হয়েছে। শান্তনু সেনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ফেরত দেওয়া বা স্থানান্তরিত অর্থের পরিমাণ ২১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৪৯ টাকা।

কিন্তু সুদীপ্ত রায় শিবিরের প্রশ্ন, যদি প্রায় ২১ লক্ষ টাকা অবশিষ্ট থাকে, তা হলে বাকি প্রায় ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকার হিসাব কোথায়? এই অর্থ কোথায় এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করা প্রয়োজন বলে দাবি করা হচ্ছে। অন্যদিকে শান্তনু সেনের বক্তব্য, অভিযোগের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগকারীদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত হওয়া উচিত।

পুরো বিষয়টি নিয়ে এখন মূল প্রশ্ন তিনটি। প্রথমত, আইএমএ-র প্যান ব্যবহার করে ওই অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমোদন ছিল কি না। দ্বিতীয়ত, অ্যাকাউন্টের লেনদেন সংগঠনের হিসাবপত্রে যথাযথ ভাবে নথিভুক্ত হয়েছিল কি না। তৃতীয়ত, তদন্ত রিপোর্টে উত্থাপিত প্রশ্নগুলির ভিত্তিতে আইএমএ কর্তৃপক্ষ কোনও প্রশাসনিক বা আইনি পদক্ষেপ করবে কি না।

চিকিৎসক সংগঠনের আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশের দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও ব্যক্তিকে আর্থিক দুর্নীতির জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। তদন্তের ফল, সংগঠনের সিদ্ধান্ত এবং প্রয়োজনে আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সম্ভব। আপাতত আইএমএ-র ‘গোপন’ অ্যাকাউন্ট ঘিরে সুদীপ্ত রায় ও শান্তনু সেনের রাজনৈতিক সংঘাত আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

 

IMA ‘Secret Account’ Controversy: Fresh Clash Between Sudipta Roy and Santanu Sen Over Alleged ₹1.5 Crore Transactions !

A fresh political and organisational clash has emerged between former Trinamool Congress leaders Sudipta Roy and Santanu Sen over alleged irregularities in a bank account linked to the Journal of the Indian Medical Association.

The account was reportedly opened in 2015 using the PAN of the Indian Medical Association headquarters. According to reports the account recorded deposits of more than ₹1.53 crore and withdrawals of nearly ₹1.32 crore between 2015 and 2018.

Questions have been raised over the account’s approval financial records signing authorities and alleged transactions involving Disha Medihelp. An IMA inquiry reportedly examined the matter but no clear disciplinary action has been publicly confirmed.

Sudipta Roy has demanded answers while Santanu Sen has alleged that the issue is being revived for political reasons. The allegations remain subject to clarification and further investigation.